SILENCE
SILENCE
SILENCE

SILENCE
SILENCE
SILENCE

SILENCE
SILENCE
SILENCE

জিহ্বা কাটার ইতিহাস
আর কতকাল?

দশম শতাব্দীতে খনার জিহ্বা কাটা হয়েছিল সত্য বলার অপরাধে। আজ একবিংশ শতাব্দীতে কিবোর্ডের মাধ্যমে নারীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। আমরা সেই নীরবতা ভাঙতে এসেছি

কেন আমরা টিম খনা?

কিংবদন্তী খনা ছিলেন একজন জ্ঞানবতী নারী, যার সত্য বচন পুরুষতান্ত্রিক সমাজ সহ্য করতে পারেনি। তার জিহ্বা কেটে তাকে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছিল

আজ ডিজিটাল যুগেও সফল নারীদের ট্রলিং ও বুলিংয়ের মাধ্যমে একইভাবে ‘ডিজিটালি নীরব’ (Digitally Silenced) করার চেষ্টা চলে। আমাদের টিম সেই নীরবতা ভাঙার প্রত্যয়ে কাজ করছে।

তাই আমরা অনলাইন হেনস্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে এই মহীয়সী নারীকে নির্বাচন করেছি

NCK

ডিজিটাল হয়রানির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান

কিছু পরিসংখ্যান

অনলাইনে নারীর প্রতি ঘৃণা ছড়ানোর প্রবণতা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি একটি কাঠামোগত সহিংসতা যা প্রতিটি ক্লিকে প্রতিফলিত হয়। 

৮২%

ভুক্তভোগী সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়তা কমিয়ে দেন

৬৫%

ভুক্তভোগী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন

অনলাইনে নারীদের হেনস্থা করতে যেসব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়

যেসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারীরা বেশি হেনস্থার শিকার হন

২০২৪ ও ২০২৫ এ অনলাইন হেনস্থার মামলা (জানুয়ারি-জুন)

৩ ধাপের প্রতিজ্ঞা

থেমে যাবো: আপত্তিকর কিছু দেখলে স্ক্রল করে এড়িয়ে যাবো না
রিপোর্ট করবো: প্ল্যাটফর্মের টুল ব্যবহার করে অভিযোগ জানাবো
প্রতিবাদ করবো: ইতিবাচক বা যৌক্তিক মন্তব্য করে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াবো

নীরবতা ভাঙুন

আপনার সাথে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনাগুলো আমাদের সাথে শেয়ার করুন। হেনস্থাকারীদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত আওয়াজ তোলা এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা আমাদের লক্ষ্য

আপনার সত্যই আমাদের শক্তি। এখানে আপনার নাম গোপন থাকবে, কিন্তু শব্দগুলো থাকবে প্রখর

আপনার অভিজ্ঞতা

সাহায্য নিন